ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশে ভেজাল মদপানে গত কয়েকদিনে কমপক্ষে ৮৬ জন মারা গেছে। শনিবার পুলিশ শতাধিক জায়গায় অভিযান চালিয়ে অনেক মদ জব্দ করা ছাড়াও ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। দেশটির সরকারি কর্মকর্তাদের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে বিবিসি।

বিবিসির খবরে বলা হয়, রাস্তার ধারে কিংবা স্থানীয়ভাবে তৈরি ভেজাল এসব মদপানে ভারতে প্রতিবছর শত শত মানুষের প্রাণহানি ঘটে। শুক্রবার পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং ভেজাল মদ খেয়ে এত মানুষের প্রাণহানির ঘটনার একটি তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন।

অবৈধ এসব মদ একসাথে অনেক তৈরি করা হয়। তারপর সেগুলো রাস্তার পাশের ছোট ছোট দোকানগুলোতে অবৈধভাবে বিক্রি হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা সেগুলো খেলে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। যাদের অনেকে আর বেঁচে থাকার সুযোগ পান না। অনেকে আবার হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হন।

এইতো গত শুক্রবারও মদ না পেয়ে হ্যান্ড স্যানিটাইজার খেয়ে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য অন্ধ্রপ্রদেশে ১০ জন মানুষের মৃত্যু হয়। অনুমোদন নিয়ে তৈরি মদের চেয়ে ভারতে ভেজাল মদ পাওয়া যায় সাধারণ গ্রাম কিংবা মফস্বল এলাকাগুলোতে। আর এসব মদ খেয়ে গ্রামীণ এলাকাগুলোতেই মৃত্যুর ঘটনা বেশি ঘটে।

ভেজাল মদ প্রস্তুতকারকরা মাঝে মধ্যেই এসব মদে মিথানল মিশিয়ে থাকেন। এটি অ্যালকোহলের একটি অত্যধিক বিষাক্ত রূপ যা কখনও কখনও এর শক্তি বাড়ানোর জন্য মদের মিশ্রণে অ্যান্টি-ফ্রিজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যদি অল্প পরিমাণেও খাওয়া হয় তবে মিথানল অন্ধত্ব, লিভার অচল এবং মৃত্যুর কারণ হতে পারে।





Source link

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *