প্রকাশ : ২ আগস্ট, ২০২০ ১৮:০৯

অনলাইন ভার্সন

কুমিল্লায় কোরবানির পশুর চামড়ার তেমন দাম পাওয়া যায়নি। এতে হতাশ ক্রেতারা। গড়ে ৩শ’ টাকা ধরে প্রতিটি গরুর চমড়া বিক্রি হয়। ক্রেতা না পেয়ে মাদ্রাসা ও এতিমখানায় দান করা হয় চামড়া। কুরবানির ঈদের দিন বিকেলের পর থেকে এমন চিত্রই দেখা গেছে কুমিল্লা জেলা জুড়ে। 

কুরবানির জন্য ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা মূল্যর গরু কিনেন আবদুস সামাদ। তার প্রতিবেশী ইয়াকুব মিয়া কিনলেন ৭৫ হাজার টাকা দিয়ে। কুরবানি শেষে গরুর চামড়া দিয়ে দিলেন স্থানীয় মাদ্রাসায়। সেখান থেকে রাতে ছোট বড় সব চামড়াই গড়ে ৩শ’ টাকা ধরে বিক্রি করেন। 

আবদুস সামাদ ও ইয়াকুব আলী জানান, গত বছরের মত এ বছর তাদের পশুর চামড়া গোমতী নদীতে ফেলে দিতে হয়নি। ক্রেতা না পেলেও স্থানীয় মাদ্রাসায় দান করলেন। পরে সেখান থেকে ক্রেতারা চামড়া কিনে নিয়ে যায়।

কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার কালখড়পাড় হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মোঃ খোরশেদ আলম জানান, ক্রেতা না আসায় অনেকেই মাদ্রাসায় চামড়া দান করেন। কালখড়পাড় হাফেজিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানায় ১৫৭ টি চামড়া পাওয়া যায়। পরে রাতে চামড়ার পাইকার আসেন। প্রতিটি চামড়া গড়ে ৩১০ টাকা কিনে নিয়ে যান। 

কুমিল্লা ঋষিপট্টির চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রতন ঋষি জানান, সিন্ডিকেটের কারণে গত বছর চামড়ার দরপতন হয়। চামড়া কিনে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি। তবে এ বছর সিন্ডিকেট না থাকলেও চামড়ার বৈদেশিক চাহিদা কম রয়েছে। তাই চামড়ার দর কম। 

ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর কুমিল্লার সহকারী পরিচালক মো. আছাদুল ইসলাম বলেন, চামড়া সংরক্ষণে ব্যবসায়ীদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। বিক্রিতে সমস্যা হলে সঠিক নিয়মে সংরক্ষণের জন্য বলা হয়েছে।
 

বিডি-প্রতিদিন/সালাহ উদ্দীন





Source link

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *